ঢাকা ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
চকরিয়ায় আশ্রয়ের খোঁজে নৌকাডুবিতে কিশোরী নিখোঁজ ব্যাঙের শিক্ষা নরসিংদীতে বৃদ্ধা পরিচ্ছন্নতাকর্মী হত্যা ও টাকা লুট, গ্রেপ্তার ৫ জলের আঙুল মেঘ আষাঢ়ের জলাভিসার আষাঢ়ের মুখ যদিও এই সজল বর্ষা প্রাইমারি স্কুলের অনিয়মে নজর দিন হবিগঞ্জে বাঁধ ভাঙনে ২৫ গ্রাম পানিবন্দি, ভোগান্তিতে ৩০ হাজার বাসিন্দা মেঘের সৌধ থেকে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ফুটবল আবেগ এক নতুন সম্ভাবনা বৃষ্টি ভেজার কাঁপন বরষা, এ চল্লিশে আষাঢ়ের রূপ বাউরি বর্ষার ঝোড়ো রাত আষাঢ়ি পূর্ণিমায় স্ক্রিনে বন্দি শৈশব-কৈশোর আষাঢ়ের বাদলধারা বৃষ্টিস্নাত বিশেষত তোমাকে বাদলফকির ফ্রান্সের শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিলেন মরক্কোর কোচ রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার লাভ-ক্ষতি আওয়ামী লীগের জন্ম দিল্লিতে, দাফনও হয়েছে সেখানেই: সারজিস আলম এসেছ আজ কী মহাসমারোহে উপভোগ্য ছিল পদ্মায় ইলিশ ধরা গ্রাফিতিতে বিশ্বকাপ, ফুটবল উন্মাদনায় ভাসছে জাককানইবি মরক্কোকে বেছে নেওয়ায় আফসোস নেই বুয়াদির নজরুলের অভিযান কবিতার এক শ বছর দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ব্যাপক বিস্তার

নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন হান্নান মাসউদ

প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৫৯ পিএম
নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন হান্নান মাসউদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনাকে ‘ভুয়া ধর্ষণ’ উল্লেখ করার কারণে বিতর্কের মধ্যে পড়েন। পরে তিনি জানিয়েছেন, এ অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ ব্যবহারের জন্য তিনি বিব্রত এবং দুঃখিত।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “গতকাল দ্বীপ হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নে এক সমাবেশে আমি ভুলবশত এবং তাৎক্ষণিকভাবে ‘ভুয়া ধর্ষণ’ শব্দটি ব্যবহার করে ফেলেছি, যা কোনোভাবেই আমার উদ্দেশ্য ছিল না। ধর্ষণের মতো ঘৃণিত অপরাধকে কোনোভাবেই অস্বীকার করা যায় না। ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এ অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দটি ব্যবহারের জন্য আমি বিব্রত ও দুঃখিত। শুভাকাঙ্ক্ষী, সমর্থক ও সমালোচকরা এটাকে মুহূর্তের ভুল হিসেবেই বিবেচনা করবেন।”

তিনি আরও লিখেছেন, “পাহাড় ও সমতলের বাংলাদেশের সকল নাগরিকের প্রতি আহ্বান থাকবে—পরাজিত ও ফ্যাসিবাদী শক্তির সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে ঐক্যবদ্ধ থাকুন। আলোচনার মাধ্যমে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করুন। উভয় পক্ষের কথা গুরুত্বসহকারে শোনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।”

মেহেদী/

আওয়ামী লীগের জন্ম দিল্লিতে, দাফনও হয়েছে সেখানেই: সারজিস আলম

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
আওয়ামী লীগের জন্ম দিল্লিতে, দাফনও হয়েছে সেখানেই: সারজিস আলম
ছবি: খবরের কাগজ

’আওয়ামী লীগের জন্ম দিল্লিতে, দাফনও হয়েছে সেখানেই। এক হাজারের বেশি মানুষকে মেরে গণহত্যা চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া দলের কাছে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব কখনো নিরাপদ থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেন, জাতীয় নাগরিক কমিটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) রাত ৯টার দিকে পাবনার চাটমোহরে জুলাই পদযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

সারজিস আলম বলেন, ’বিগত ১৬ বছর প্রশাসন দলীয়করণের শিকার হয়েও শেষ রক্ষা করতে পারেনি শেখ হাসিনাকে। তিনি বাধ্য হয়েছেন পালাতে। নিজে ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি তিনি দলকেও ধ্বংস করেছেন।’  

প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে জনগণের এবং দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক হয়ে ওঠার আহ্বান জানান সারজিস আলম।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান ব্যবস্থায় দালাল ধরা, ঘুষ দেওয়া কিংবা প্রভাবশালী কাউকে দিয়ে ফোন করানো ছাড়া সাধারণ মানুষের কোনো সেবা বা অধিকার পাওয়ার উপায় নেই। ক্ষমতাবানরা ঠিকই নিয়ম ভেঙে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করে নিচ্ছেন। অন্যদিকে হাজারো সাধারণ মানুষ একটুখানি সেবা বা অধিকার পাওয়ার জন্য দেয়ালে মাথা ঠুকে মরছেন। এটা কোনো সিস্টেম হতে পারে না। অন্তত একটা স্বাধীন, সার্বভৌম ও কল্যাণকর রাষ্ট্রের চিত্র এমন হওয়া উচিত নয়।’

এনসিপির বিরুদ্ধে তোলা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রসঙ্গে সারজিস আলম বলেন, এনসিপির নেতাদের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তার কোনো প্রমাণ দেখানো হয়নি। এসব অভিযোগকে তিনি রাজনৈতিক অপপ্রচার বলে দাবি করেন।

নিজেদের মন মগজ বিবেকবোধ বিসর্জন না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সারজিস আলম বলেন, সবার আগে সিস্টেমের পরিবর্তন লাগবে। আমাদের ফাইট হলো ভাল মন্দের ফাইট, জালিম মজলুমের ফাইট, ন্যায় অন্যায়ের ফাইট। কারা চাঁদাবাজি করে, কারা মাদক ব্যবসাকে শেল্টার দিচ্ছে, কারা অন্যায় করছে সেটা ভেবেচিন্তে ভালোর পক্ষে ভোট দিতে হবে। সেখানে যদি এনসিপি ভালোটা ধারণ না করে তাদের ভোট দেয়ার দরকার নাই। সব জায়গায় আলোচনা শুরু হোক, আগামীদিনে ভোটটা হবে ভালো মানুষের পক্ষে। 

সমাবেশে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব এস এম সাইফ মোস্তাফিজ বলেন, ’‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা দিল্লিতে বসে নানাভাবে হুমকি দিলেও এদেশের তরুণরা তাকে আর ভয় পায় না হাসিনার দিন শেষ।

জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) পাবনা জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশ এনসিপির আহ্বায়ক খন্দকার আক্তার হোসেন লেবুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন, জুলাই আন্দোলনের পাবনার সমন্বয়ক বরকতুল্লাহ ফাহাদ এবং চাটমোহর উপজেলা এনসিপির সদস্য সচিব খায়রুল ইসলামসহ আরও অনেকে। সমাবেশ শেষে চাটমোহর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে জেলা এনসিপির আহ্বায়ক খন্দকার আক্তার হোসেন লেবুকে সবার সামনে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।

জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতারা চাটমোহর সরকারি কলেজ গেট থেকে মিছিল সহকারে পদযাত্রা নিয়ে চাটমোহর বালুচর খেলার মাঠে সমাবেশস্থলে পৌঁছান। বৃষ্টির কারণে সমাবেশ শুরু হতে কিছুটা সময় বিলম্ব হয়।

আমিনুল জুয়েল/খাদিজা রুমি/

জামালপুরে সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ শোন অ্যারেস্ট

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম
জামালপুরে সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ শোন অ্যারেস্ট
ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদকে একটি বিস্ফোরক মামলায় শোন অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার দেখানোর) অনুমতি দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জামালপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বকশীগঞ্জ আমলি আদালতে তাকে তোলা হলে বিচারক তানজিনা আক্তার এ আদেশ দেন। গ্রেপ্তার নূর মোহাম্মদ জামালপুর - ১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান গামা জানান, বিগত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বকশীগঞ্জ থানায় নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ঢাকায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। কারাগারে থাকা অবস্থায় বকশীগঞ্জ থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আমিনুল ইসলাম। বিচারক তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন মঞ্জুর করে শোন এরেস্ট দেখানোর অনুমতি দেন। আগামী ১৪ জুলাই তার জামিন শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান গামা আরও জানান, আমরা আশা করি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডের আবেদন করবেন। সেদিনই শুনানির পর আদালত পরবর্তী আদেশ দিবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৭ জুন রাতে রাজধানী ঢাকার গুলশানের একটি বাসা থেকে তাঁকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এরপর আজ তাকে জামালপুর আদালতে আনা হয়। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নূর মোহাম্মদ জামালপুর-১ আসন থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন তিনি। নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া দুর্নীতির অভিযোগে নূর মোহাম্মদ, তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম ও ভাতিজা সাইফুল ইসলামের দেশত্যাগে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

আসমাউল আসিফ/এসএন

‘বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না’ সাংবাদিকদের বিএনপি নেতার হুমকি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
‘বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না’ সাংবাদিকদের বিএনপি নেতার হুমকি
নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগর

শরীয়তপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিকের ওপর চড়াও হয়েছেন নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগর। এ সময় তিনি ওই সাংবাদিককে নানা ধরনের হুমকি ও চাকরিচ্যুত করার হুশিয়ারি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, সম্প্রতি এলজিইডি কার্যালয়ে অফিস সহকারী মো. তৌফিকুল ইসলামকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই অফিস সহকারী গতকাল বুধবার নড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলে ঘটনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত, জিডির কপি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ করেন শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি খান মোহাম্মদ শিহান। 

সংবাদ প্রকাশের পরে ক্ষুব্ধ হন বিএনপি নেতা মতিউর রহমান সাগর। তিনি সাংবাদিক খান মোহাম্মদ শিহানের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় মতিউর রহমান সাগর লিখেন, ‘আপনি কি সাংবাদিক, না সাংঘাতিক? আমার বক্তব্য ছাড়া নিউজ করলেন কিভাবে? ওসির দালালি করেন না। ঠিক আছে, আমি অপু ভাইয়ের (কালবেলার প্রকাশক ও সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু) সঙ্গে যোগাযোগ করছি।’ 

ওই বার্তায় তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকের চাকরির বিষয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করবেন।

এ ব্যাপারে মতিউর রহমান সাগরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি উত্তেজিত ভাষায় বলেন, ‘পারলে আপনারা কিছু করেন। আমার এক মাসের আয় আপনাদের এই সাংবাদিকদের পেছনে খরচ করে হলেও দেখে নেব। বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না। যারাই আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করেছে সবার বিরুদ্ধে আমি আইনি পদক্ষেপ নেব।’

এ বিষয়ে কালবেলা প্রত্রিকার সাংবাদিক খান মোহাম্মদ শিহান বলেন, ‘আমি পেশাগত দায়িত্ব পালন করে তথ্য-প্রমাণ ও অভিযুক্তের বক্তব্য নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেছি। এর পরও এ ধরনের হুমকি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টি নিয়ে আমি আমার প্রেসক্লাব ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করছি এবং প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নেব।’

এ ব্যাপারে শরীয়তপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও আর টিভির প্রতিনিধি আবুল হোসেন সরদার বলেন, ‘সংবাদ প্রকাশের জেরে এ ধরনের হুমকি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে উদ্বেগের বিষয়। তবে আমরা সাংবাদিকেরা এ ধরণের হুমকিকে পরোয়া করি না। আমরা আমাদের পেশাগত দায়িত্বে সব সময় ন্যায়ের পক্ষে থাকব।

বিধান মজুমদার/অমিয়/

রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে ইউপি চেয়ারম্যান ও ১২ মেম্বারের অব্যাহতি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে ইউপি চেয়ারম্যান ও ১২ মেম্বারের অব্যাহতি
ছবি: খবরের কাগজ

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাতুব্বসহ পরিষদের ১২ জন মেম্বার ও শতাধিক কর্মী আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে হরিদসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করিম মাতুব্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সসভাপতি পদ থেকে মৌখিকভাবে পদত্যাগ করেন। 

এ সময় উপস্থিত থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতি নেন ওয়ার্ড মেম্বার দেলোয়ার হোসেন মুন্সী, সাহেব আলী খাঁ, আব্দুল জলিল মাতুব্বর, গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, আবুল মোল্লা, আব্দুর রশিদ মিনা ও সংরক্ষিত নারী আসনের মেম্বার শিরিন আক্তার ও বুড়ি বেগম।

এ সময় তাদের সমর্থন দেন শতাধিক কর্মী-সমর্থকরা।

ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাতুব্বর  বলেন, ‘আমি জনগণের সেবা দিয়ে তাদের পাশে থাকার জন্য আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতাম। বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় জনগণের স্বার্থে দল থেকে পদত্যাগ করলাম। বিএনপি সরকার চাইলে তাদের হয়ে কাজ করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ঠাঁই দেওয়ার মতো কেউ নাই। এছাড়া দলের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ দলে থেকে কোনো লাভ নাই। আমি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করি, তাদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করি। তারা আমাকে ভালবেসে দুই বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছে। তাই আজ (৮ জুলাই) থেকে আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। আমার সঙ্গে ১২ জন মেম্বারও অব্যাহতি নিয়েছেন।’

রফিকুল ইসলাম/খাদিজা রুমি/

বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটক ঝিনাইদহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:২৪ এএম
বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটক ঝিনাইদহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি
ছবি: খবরের কাগজ

যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশনে 'স্টপ লিস্ট' অনুযায়ী ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহরিয়ার করিম রাসেলকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে তাকে আটক করা হয়।

আটক শাহরিয়ার করিম রাসেল ঝিনাইদহ পৌরসভার উকিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি।

ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, ভারতগামী যাত্রী হিসেবে শাহরিয়ার করিম রাসেল ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে গেলে নিয়মিত যাচাই-বাছাইয়ের সময় তার নাম ইমিগ্রেশন কালো তালিকায় (স্টপ লিস্টে) রয়েছে বলে শনাক্ত হয়। এরপর তাকে ইমিগ্রেশন পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, শাহরিয়ার করিম রাসেলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধনী-২০২৬) এর অধীনে ঝিনাইদহ সদর থানায়  একটি মামলা বিচারাধীন। এ কারণেই তার নাম ইমিগ্রেশন স্টপ লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমৃকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান বলেন, ‘স্টপ লিস্টে নাম থাকায় শাহরিয়ার করিম রাসেলকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ঝিনাইদহ থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মাহফুজুর রহমান/খাদিজা রুমি/