ঢাকা ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
মেসির বিকল্প হওয়া অসম্ভব: নিকো পাজ ‘সতীর্থদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাননি রোনালদো’ সেমিফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স, খেলা কবে? শেষ মুহূর্তে মেরিনো ম্যাজিক, বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন নীরবতা ভেঙে আবেগঘন বার্তা ভিনিসিয়ুসের রুইজ-কেটেলারের গোলে প্রথমার্ধ শেষে সমতায় স্পেন-বেলজিয়াম পর্তুগালের নতুন কোচ জর্জ জেসুস ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস, দিলেন প্রতিশ্রুতিও ডোকু-ডি ব্রুইনাকে নিয়ে মাঠে নামছে বেলজিয়াম, স্পেনের বেঞ্চে পেদ্রি আর্চবিশপের কণ্ঠে মেসির বার্তা স্পেন-বেলজিয়াম ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ইংলিশ রেফারি দাওয়াতের আড়ালে চুরির চেষ্টা, ‘মুরুব্বী’ বিবেচনায় রেহাই শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ দেশে ফিরে রাজকীয় সংবর্ধনা পেলেন সালাহরা বন্যা মোকাবিলায় ৭ উপজেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন ঈশ্বরগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণী ধর্ষণ মামলা, তদন্তে ধীরগতিতে ক্ষোভ চুয়েট হলে গাঁজাসহ ৯ শিক্ষার্থী আটক স্পেনে নিয়ন্ত্রণের বাইরে দাবানল, বাড়ছে প্রাণহানি জামালপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এমপির গাড়ি ভাঙচুর ট্রাম্পকে হত্যার ছক: ইসরায়েলের গোয়েন্দা তথ্য ওয়াশিংটনের হাতে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ বন্দি বিনিময় চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে: হাইকমিশন বেরোবিতে ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণায় আনন্দ মিছিল বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ভারী বৃষ্টিতে টেকনাফে ১২শ পরিবার পানিবন্দি, ৫০০ পরিবার পেল ত্রাণ সহায়তা মাদারীপুর থানায় নারী আসামি পালানোর অভিযোগ ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে অবহেলা, ২ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে: পরিবেশমন্ত্রী বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা কিয়ার স্টারমারের উত্তরসূরি হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহাম কুষ্টিয়ার খোকসায় খবরের কাগজ ‘বন্ধুজন’-এর কমিটি গঠন

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাজেহাল সাধারণ মানুষ

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৪, ১১:৩৭ এএম
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাজেহাল সাধারণ মানুষ

বাজারে গেলেই কান্না পায়। একটু সবজি কিনে খাওয়ার মতো অবস্থা নেই সাধারণ মানুষের। সবজি এখন ধনী শ্রেণির মানুষের খাবারে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষের যে আয় তা দিয়ে সবজি কিনেই খেতে পারছে না, তাহলে মাছ মাংস কীভাবে কিনে খাবে। মানুষের বেঁচে থাকাই এখন কঠিন হয়ে গেছে। বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, নিত্যপণ্যের দাম হুহু করে বাড়ছে।  চাল, ডাল, তেল, লবণ, গ্যাস, আটা, চিনি, মাছ, ডিম থেকে শুরু করে শাকসবজি এমন কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নেই, যার দাম বাড়েনি।

 কিন্তু ভরা মৌসুমেও সবজির দাম আকাশছোঁয়া। বাজারে কোনো সবজির দাম ১০০ টাকার নিচে নেই। চালের দামও ভরা মৌসুমে ঊর্ধ্বমুখী। নিত্যপণ্যের দাম সরকার চেষ্টা করেও কমাতে পারছে না। মানুষ পড়ে মহাবিপদে। সাধারণ মানুষের আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের হিসাব মিলছে না। নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ হতাশ হয়ে পড়ছে। সঙ্গে বাড়ছে ক্ষোভ। হতাশায় নিমজ্জিত খেটে খাওয়া মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও। অবশ্যই উৎপাদন বাড়াতে হবে। আসুন, সবাই মিলে দ্রব্যমূল্য কমাতে সহায়তা করি।  

শরিয়তউল্লাহ সজল
হাতিরপুল, ঢাকা

প্রাইমারি স্কুলের অনিয়মে নজর দিন

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
প্রাইমারি স্কুলের অনিয়মে নজর দিন

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রাইমারি স্কুল একটি গুরুত্বপূর্ণ অন্যতম বিদ্যানগর। এটি ছোট্ট সোনামণিদের প্রাথমিক জ্ঞানের কেন্দ্র। তারা শিখবে নৈতিকতা, সুন্দর আচরণ ও আদর্শ। সম্প্রতি ভিডিও ফুটেজে লক্ষ করা যায় একজন শিক্ষিকা স্টুডেন্ট কর্তৃক পা ম্যাচেজ করাচ্ছেন এবং অন্য একজন ফোন ব্যবহার করছেন ইত্যাদি।

এটি শিশুদের জন্য যেমন ক্ষতিকর ও অনৈতিক শিক্ষাদানের লক্ষণ। তেমনি শিক্ষকদের জন্যও বড় লজ্জার এবং সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনৈতিক আচরণ। এমন আচরণ ছোট্ট শিক্ষার্থীদের আচরণে বিরূপ প্রভাব পড়বে। শিক্ষকদের পরিস্থিতি এরূপ হওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে অনাগ্রহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফলে প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। অতএব, শিক্ষাব্যবস্থা সুন্দর পরিচালনায় দ্রুত অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

আবদুর রশিদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
[email protected]

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ফুটবল আবেগ এক নতুন সম্ভাবনা

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ফুটবল আবেগ এক নতুন সম্ভাবনা

ফুটবল বিশ্বকাপ এলে বাংলাদেশের রাস্তাঘাটে, বাড়ির ছাদে, গাড়িতে বাংলাদেশি বিভিন্ন দেশের ফুটবল সমর্থকরা নিজ নিজ সমর্থিত দলের পতাকা লাগিয়ে দেন। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকরা নিজেদের বাড়ি-গাড়ি পতাকা ও জার্সির রঙে রাঙিয়ে তোলেন। তারা প্রায় প্রতিটি পাড়ামহল্লা ও বাজারে শত শত ফুট লম্বা বিশাল পতাকা উত্তোলন করেন। এই উন্মাদনা বিশ্বে বিরল।

কিন্তু দুঃখের বিষয় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ এই বাংলাদেশি ভালোবাসার কথা তেমন জানেন না। তাদের জাতীয় দলের জন্য বাংলাদেশে কী পরিমাণ আবেগ ও উৎসাহ। আমরা নিজেদের এই উৎসবের ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করি বাংলা কিংবা ইংরেজিতে। আর্জেন্টিনার মানুষ স্প্যানিশ আর ব্রাজিলের মানুষ পর্তুগিজ ভাষায় কথা বলেন। তারা বাংলা কিংবা ইংরেজি না জানায় আমাদের এই বিশাল সমর্থন তাদের কাছে পুরোপুরি পৌঁছায় না।

কে করবে এই উদ্যোগ? সরকার, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আলাদাভাবে কাজ করতে পারে। করপোরেট কোম্পানিগুলো স্পন্সরশিপ দিয়ে কাউকে আনলে তাদেরও ব্র্যান্ডিং হবে বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চে। বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেম  আবেগের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী সফট পাওয়ার। এই শক্তিকে যদি আমরা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারি তাহলে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। শুধু আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল নয়,  সারা বিশ্বে বাংলাদেশি ফ্যানদের কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়ার সময় এসেছে। এখনই শুরু করতে হবে। 

আরাবী নূর লিমা
কবি ও প্রাবন্ধিক
[email protected]

বহিরাগত প্রবেশে নিরাপত্তা শঙ্কায় ইবির শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম
বহিরাগত প্রবেশে নিরাপত্তা শঙ্কায় ইবির শিক্ষার্থীরা

‎‎কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আনাগোনা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সারা দিন বহিরাগতদের আনাগোনা ১৭৫ একর ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট করছে। বহিরাগতরা ঘুরতে আসা ছাড়াও এমন কিছু কাজ করে থাকে যা নিতান্তই দৃষ্টিকটু। ক্যাম্পাসের মীর মুগ্ধ সরোবর, স্মৃতিসৌধ অথবা বিভিন্ন নিরিবিলি এলাকায় তাদের অশোভনীয় আচরণ দেখতে পাওয়া যায়। আবার বহিরাগত ছেলেরা বা বখাটেরা ক্যাম্পাসের গাছের ফলমূল অযথা নষ্ট করে। বখাটেদের দ্বারা ক্যাম্পাসের নারী শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার ঘটনাও ঘটে থাকে। বহিরাগতরা কোনো নেতার ট্যাগ দিয়ে ক্যাম্পাস মোটরসাইকেল শোডাউন করে থাকে। ছুটির দিনে বা কোনো বড়সড় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস যেন কোনো ছোটখাটো বিনোদন কেন্দ্র হয়ে ওঠে। বহিরাগতদের এসব ক্রিয়াকলাপ ইবি ক্যাম্পাসের শান্ত পরিবেশকে নষ্ট করছে। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে তারা শিক্ষার্থীদের ওপর জোর খাটানোর চেষ্টা করে থাকে। দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য ইতোমধ্যই নানা নেতিবাচক ঘটনা ঘটে গেছে যা দেশজুড়ে আলোড়ন তৈরি করেছে। কিন্তু ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অবাধ আনাগোনা কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না। বহিরাগতদের কাছে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের এভাবে কোণঠাসা হয়ে থাকা আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শাহ আজিজুর রহমান হলের পকেট গেটের পাশে ভাঙা প্রাচীর নাজুক নিরাপত্তাব্যবস্থার দিকে ইঙ্গিত দেয়। তাই ভবিষ্যতে কোনো বড় বিপদ হওয়ার আগেই ইবি ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আনাগোনা সীমিত করতে হবে। সেই সঙ্গে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা রক্ষীদের কাজে অবহেলা বন্ধ করতে হবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বহিরাগত প্রবেশ সীমিতকরণে ও নিরাপত্তা জোরদার করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে। এ ব্যাপারে তাদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 
‎‎
মো. শাহরিয়ার সৌরভ
‎শিক্ষার্থী, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

প্রিয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম
প্রিয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

শুভ জন্মদিন প্রিয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। তোমার বয়স প্রতি বছর যেমন বাড়ে, তেমনি হাজারো স্বপ্নেরও বয়স বাড়ে তোমার প্রাঙ্গণে। মাত্র কিছুদিন আগেও আমি ছিলাম তোমার কাছে এক অপরিচিত মুখ। আজ তোমার ৭৫৩ একরের প্রতিটি পথ, প্রতিটি গাছ, প্রতিটি বিকেল আর প্রতিটি মুখ ধীরে ধীরে আমার আপন হয়ে উঠেছে। তোমার আঙিনায় আমি শুধু পড়াশোনা করতে আসিনি; নিজেকে গড়ে তুলতে, মানুষ হতে এবং স্মৃতির ভাণ্ডার পূর্ণ করতে এসেছি। তোমার ৭৩ বছরের অভিজ্ঞতা আমাকে পূর্ণ করুক, তুমি পূর্ণতা দিও। আমি তোমাকে হৃদয় আসনে রেখে দেব আমৃত্যু, আজীবন।

মো. আমিনুর রহমান 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, শিক্ষাবর্ষ ২০২৪-২৫
[email protected]

জিরো রিটার্নের গ্যাঁড়াকল

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম
জিরো রিটার্নের গ্যাঁড়াকল

বর্তমান আয়কর আইনে ‘জিরো রিটার্ন’ বা ‘শূন্য রিটার্ন’ বলতে কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান বা শব্দ নেই। অথচ আমাদের দেশের করদাতাদের মধ্যে ‘জিরো রিটার্ন’ শব্দটির প্রচলন এবং জনপ্রিয়তা ব্যাপক। আইনে বিধান না থাকলেও বাস্তবে অগণিত ট্যাক্স ফাইলে এর অবাধ প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ প্রতিনিয়ত লক্ষ করা যাচ্ছে।

এই তথাকথিত জিরো রিটার্নের ফাইলগুলোর ভেতরে তাকালে এক অদ্ভুত চিত্র দেখা যায়। অধিকাংশ ফাইলেই আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের কোনো সামঞ্জস্য বা যৌক্তিক মিল নেই; আয় ও ব্যয়ের খাতগুলো সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং ধোঁয়াশাপূর্ণ। বিনিয়োগের খাতগুলো যেমন পূর্ণতা পায়নি, ঠিক তেমনি সম্পদ ও দায়ের ঘরগুলোও অলংকৃত হয়ে আছে শূন্যতায়। নিয়মতান্ত্রিক বিনিয়োগ বা সঠিক হিসাবের অভাব থাকায় কর রেয়াতের সুবিধা তো হাতছাড়া হয়েই গেছে, পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে প্রদত্ত করের পরিমাণও যথারীতি শূন্য! মূলত, এই হচ্ছে আমাদের দেশের সিংহভাগ জিরো রিটার্নের প্রকৃত হালচাল। প্রশ্ন উঠতেই পারে–এই দায়সারা ও ত্রুটিপূর্ণ ফাইলগুলো কারা তৈরি করছেন, আর কেনই বা তৈরি করছেন? আসল কথা হলো, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল অনলাইনের যুগে এই ফাঁকিবাজি আর চলবে কতদিন?

পলাশ কুণ্ডু
আয়কর আইনজীবী ও সদস্য, নীলফামারী ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন
[email protected]