ঢাকা ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
একদিনে হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র চট্টগ্রামে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের বিক্ষোভ বজ্রপাতের বিশ্বকাপ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নয়, এবার ৬ দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে শিক্ষার্থীরা গ্রাইন্ডারে কাটা হলো দরজা, প্রবাসীর বাড়িতে দুঃসাহসিক লুটপাট র‌্যাংগসএক্স ও ডিএইচএল এক্সপ্রেস বাংলাদেশে নিয়ে এল ১৮ ইলেকট্রিক কার্গো ভ্যান জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের আয়োজনে ঢাকা রিজেন্সির এক্সক্লুসিভ অফার রাকাবের মাধ্যমে ঋণমুক্ত ২ লাখ ৪০ হাজার কৃষক পরিবার পরশুরামে বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ জলাবদ্ধতায় কেন্দ্র পরিবর্তন, বিকল্প কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা খাল খনন করে চট্টগ্রামবাসীকে বন্যামুক্ত করা হবে: ত্রাণমন্ত্রী নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে রাজনৈতিক সদিচ্ছা দরকার নির্বাচিত সরকার জনগণের কল্যাণেই কাজ করছে: ত্রাণমন্ত্রী টেকাথন ন্যাশনালস ২০২৬-এ সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের কৃতিত্ব ভাঙনের নির্মম শিকার কাদের মিয়া, দোকানই এখন ঘর-সংসার পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বিক্ষোভে নিহত ৯ আরএফএল প্লাস্টিকসের পরিবেশক সম্মেলন অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে প্রাইম মুভার ট্রেইলার মালিকদের ৪৮ ঘণ্টা ধর্মঘটের ঘোষণা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুদামে জায়গাসংকট, ধান-চাল সংগ্রহে ধীরগতি নিউইয়র্কে ৬১৬ কোটি টাকায় বিক্রি হলো ডাইনোসরের কঙ্কাল ঈশ্বরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে বাড়ি ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ প্রতারণা মামলায় নায়িকা ববির আত্মসমর্পন ও জামিন সচিবালয়ের সামনে পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শ্রীমঙ্গলে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ জামানত ছাড়াই উদ্যোক্তাদের ৫ কোটি টাকা অনুদানের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতদের পুনঃপরীক্ষা, ভুল প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আজও রাজধানীতে বিক্ষোভ জয়পুরহাটে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সড়ক অবরোধ বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ

মিরকাদিম পৌরসভার বণিক্যপাড়া  সড়ক বেহাল

প্রকাশ: ১০ মে ২০২৫, ০৪:১৬ পিএম
মিরকাদিম পৌরসভার বণিক্যপাড়া 
সড়ক বেহাল

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার মিরকাদিম পৌরসভার বণিক্যপাড়া এলাকরা সড়কটি এখন বর্ষা ছাড়াই পানিতে তলিয়ে গেছে। কিছুদিন আগে এখানে ড্রেনেজব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। কিন্তু পাশের বিনোদপুর খালের সঙ্গে পানির উচ্চতা মিলিয়ে ড্রেন এবং সড়ক উঁচু না করায় খাল এবং নর্দমার ময়লা পানিতে সড়কটি সয়লাব হয়েছে। খালের পানি সড়কে উঠে আসার অন্যতম কারণ মিরকাদিম পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ফেলার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা তৈরি না করার কারণে পৌর এলাকার বাসাবাড়ির সব ধরনের বর্জ্য এখন মানুষ খালে নিক্ষেপ করছে। সে কারণে খাল ভরাট হয়ে পানি উপচে ওপরে উঠে আসছে। আর বণিক্যপাড়া এলাকাটি অধিকতর নিচু হওয়ায় খালের ময়লা পানি এসে মানুষের যাতায়াতের সড়কটি এখন বৃষ্টি ছাড়াই তলিয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন আগে বিনোদপুর খালটি সংস্কার করা হলেও অনিয়মের কারণে খালটি পুরোপুরি পরিষ্কার করা হয়নি। ব্যাপক লুটপাট হয়েছে এ খাতে।

 তাছাড়া রিকাবীবাজারের খালটির দুই পাড়ে উচ্ছেদ অভিযান করে খনন করা হয়েছে। কিন্তু ধলেশ্বরী নদীর মুখ খনন না করে বরং পাঞ্জাতি রাইস মিলের কাটের পুলটি তুলে দিয়ে সেখানে মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। তাতেই খালের ভয়াবহ সর্বনাশ করা হয়েছে। এখন আর খাল দিয়ে কোনো পানি প্রবাহিত হতে পারছে না। এতে সরকারের খনন কাজের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি উপজেলার নির্বাহী অফিসারের দৃষ্টিগোচর করার জন্য এলাকাবাসী দাবি জানিয়েছেন। আর বণিক্যপাড়ার অবহেলিত সড়কটি যেন তিনি সরেজমিন এসে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এটাই এলাকার মানুষের প্রত্যাশা।      

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ি, সিপাহিপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]

 

ডে-কেয়ার নয়, শিশুদের সময় দিন

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম
ডে-কেয়ার নয়, শিশুদের সময় দিন

একটি পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো শিশুসন্তান। শিশুদের প্রতি যত্নশীল হওয়া অপরিহার্য। তাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস হলো সময় দেওয়া এবং কেয়ার করা। বাবা-মায়ের কাছ থেকে পাওয়া সময় হলো তাদের সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার অন্যতম উপায়। এটি তাদের নৈতিক গুণাবলি, মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধিতে অত্যন্ত কার্যকর। সম্প্রতি গণমাধ্যমে কিছু ফুটেজ ও নিউজের মাধ্যমে ডে-কেয়ার এবং তাতে শিশু হিংস্র হয়ে ওঠার দিকটি পরিলক্ষিত হয়। একটি শিশুকে অপর একটি শিশুর ২০টির অধিক সজোরে কামড় দেওয়া এবং অনিরাপদ, শূন্যতা ও ভয় নিয়ে কাটানোর নাম হলো বর্তমান ডে-কেয়ার। চাকরির সুবাদে বাবা-মায়ের সময় হয় না। তাই শিশুদের ডে-কেয়ারে রেখে চলে যাওয়া একজন বাবা-মায়ের জন্য লজ্জার। আর অনিরাপদ প্রজন্ম গড়ে তোলা এবং হিংস্রতার শিকার বানানোর অন্যতম হাতিয়ার হলো ডে-কেয়ার। যে ব্যবস্থায় সন্তানের মূল্য থাকে না, সেখানে কখনো নৈতিকতা, সাফল্য ও সুখের আশা করা যায় না। মূলত এমন পরিস্থিতি থেকে বেড়ে ওঠা সন্তানগুলোই বাবা-মায়ের বৃদ্ধাশ্রমের কারণ হয়। অতএব সন্তানকে সময় দিন। সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তুলুন। ডে-কেয়ার নামক হিংস্রতার জায়গা থেকে শিশুদের রক্ষা করুন।

আবদুর রশিদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
[email protected]

 

ইবিতে প্রধান ফটকের সামনে স্পিডব্রেকার প্রয়োজন

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৭ পিএম
ইবিতে প্রধান ফটকের সামনে স্পিডব্রেকার প্রয়োজন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কে স্পিডব্রেকার প্রয়োজন। মহাসড়কটি সংস্কারের আগে এখানে স্পিডব্রেকার থাকলেও এখন কোনো ধরনের স্পিডব্রেকার নেই। ফলে, এখান দিয়ে তীব্র গতিতে এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে গাড়ি চলাচল করছে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অনেক লোকজন অনবরত এখানে রাস্তা পারাপার হয়। স্পিডব্রেকার না থাকায় এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িগুলো আসা-যাওয়ার সময় বিড়ম্বনায় পড়ছে। সবমিলিয়ে বর্তমানে এখানে ব্যাপক সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। জননিরাপত্তার স্বার্থে এখানে অনতিবিলম্বে কার্যকারভাবে স্পিডব্রেকার দেওয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. জাহিদ হাসান
শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া 
[email protected]

চা-শিল্পের সংকট ও টেকসই উন্নয়নের পথ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম
চা-শিল্পের সংকট ও টেকসই উন্নয়নের পথ

বাংলাদেশে প্রায় দেড় শ বছরেরও বেশি সময় ধরে চা চাষ হচ্ছে। বর্তমানে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, পঞ্চগড় ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১৬৮টি বাণিজ্যিক চা-বাগান প্রায় আড়াই লাখ একরের বেশি জমিতে বিস্তৃত। উৎপাদনের দিক থেকে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের নবম বৃহত্তম চা উৎপাদক এবং বৈশ্বিক উৎপাদনের প্রায় ৩ শতাংশ আসে আমাদের দেশ থেকে। কিন্তু এত বড় উৎপাদন সত্ত্বেও বাংলাদেশের চা-শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে আজও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেনি। এর প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে বিপণন ও মূল্য সংযোজন ঘাটতি, সেকেলে নিলাম পদ্ধতি, উচ্চ উৎপাদন খরচ ও আধুনিক প্রযুক্তির অভাব, ঋণপ্রাপ্তিতে জটিলতা, জলবায়ু পরিবর্তন প্রভৃতি।

‎‎নিলাম পদ্ধতির নির্ভরতা কমিয়ে মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া, মিসরের বাজারে চায়ের চাহিদার সুযোগ গ্রহণ করে রপ্তানি বাড়াতে হবে। প্যাকেজিং উন্নতকরণ ও নিজস্ব ব্রান্ড তৈরি করে বিশ্ববাজারে প্রবেশ করতে হবে। বোতলজাত বা ইনস্ট্যান্ট টি-এর মতো নতুন পণ্যের প্রচলন করা যেতে পারে। চা-শিল্পকে শিল্প খাতের পাশাপাশি কৃষিশিল্পের অন্তর্গত করা জরুরি, যাতে উদ্যোক্তারা স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে ঋণ পেতে পারেন। চা-শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, দেশের অন্যান্য খাতের তুলনায় চা-শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি অত্যন্ত নগণ্য। বর্তমান বাজারে এই সামান্য আয়ের কারণে তারা তিন বেলা পুষ্টিকর খাবার জোগাতে হিমশিম খায়। এ ছাড়া অনেক চা-বাগানে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার এখনো ঘাটতি রয়েছে। তাই শ্রমিকদের কেবল বেতন বৃদ্ধি নয়, আধুনিক প্রশিক্ষণ, উন্নত আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। এতে তাদের কাজের দক্ষতা ও সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাওয়ার মাধ্যমেই চা-শিল্পের প্রকৃত ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।  

‎বি এম হিশাম লাজ 
‎শিক্ষার্থী, আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদ, ‎পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]

হাসপাতালের নিকৃষ্ট সিন্ডিকেট নির্মূল করুন

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম
হাসপাতালের নিকৃষ্ট সিন্ডিকেট নির্মূল করুন

হাসপাতাল হলো একটি মানবিক সেবাকেন্দ্র। এখানে মানুষ আসে অসুস্থতা কিংবা দুর্ঘটনার শিকার হয়ে। মানুষের আয়ের একটি বড় অংশ কেড়ে নেওয়া হয় এ জায়গায়। তাই সবার উচিত যতটুক সম্ভব এই কেন্দ্রকে কল্যাণকর বানানো। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি ঠিক তার উল্টো। প্রায় প্রতিটি হাসপাতাল একটি নির্দিষ্ট ও নিকৃষ্ট সিন্ডিকেটে পরিপূর্ণ। একজন রোগীকে অহেতুক পরীক্ষা দেওয়া এবং মৃত্যুর পরও লাশ রেখে কেবিন ও চিকিৎসা বিল বৃদ্ধি করার মতো জঘন্য ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। সম্প্রতি একটি লাশকে চিকিৎসার নামে তিন দিন পর্যন্ত রেখে দেওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এটি অবশ্যই জঘন্যতম অপরাধ। প্রশাসনিক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে যদি একটি কার্যকর ফোর্স নিয়োগ করা হতো, তবে হয়তো এমন পরিস্থিতি কমে আসত। মানবতা যেখানে হেরে যায় সেখানে কেবল পশুর অস্তিত্ব ছাড়া কিছুই থাকে না। অতএব, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি হাসপাতালে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি গোপন অনুসন্ধান করুন।

আবদুর রশিদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম 
[email protected]

আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশ নেই

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশ নেই

প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। বন্যার কারণে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু দেশের একটি অঞ্চল যে বন্যায় ভেসে যাচ্ছে তা দেশের মানুষের আলোচনায় নেই। বন্যাদুর্গত মানুষদের জন্য যে নানাভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত, এই চিন্তা আমাদের মাথায় এখন নেই। এখন আমরা ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মেতে আছি! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় দেশের মানুষ ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মাতামাতি করছে কিন্তু দেশের একটা অঞ্চল যে বন্যায় তলিয়ে যাচ্ছে এ নিয়ে কোনো মানবিক প্রতিক্রিয়া নেই। অন্তত জুমার নামাজের পর তাদের জন্য তো আমরা দোয়াটুকু করতে পারতাম। আশ্চর্যের বিষয় হলো, মসজিদ থেকে বের হয়েই মসজিদের বারান্দায় মানুষ একে অপরের সঙ্গে ফুটবল বিশ্বকাপের আলোচনা করছে। দুয়েকজন নয়, জোড়ায় জোড়ায় আলোচনা করছে। তাও আবার বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সচেতন মানুষ এমন করছে। তাদের আলোচনার গভীরতা দেখে মনে হলো বাংলাদেশ ফুটবল বিশ্বকাপ জিততে যাচ্ছে। অথচ এখন আমাদের আলোচনায় থাকার কথা বন্যাদুর্গত মানুষদের কীভাবে সহযোগিতা করতে পারি। আমরা কেমন জানি একটা জাতি, নিজেদের নিয়ে আমাদের কোনো হুঁশ-জ্ঞান নেই। এভাবে আমরা আর কতকাল চলব? 

মুজতবা 
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]